ঢাকা   শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রেডিও বার্তা
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান
রেডিও বার্তানিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: উপজেলা প্রতিনিধি

টেকনাফ বন্দরে রোহিঙ্গারা কাজ করতে পারবে না: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

Authorস্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশ: ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ১১:২১ পিএম

টেকনাফ বন্দরে রোহিঙ্গারা কাজ করতে পারবে না: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

দ্বীর্ঘ ১১ মাসের বেশী সময় বন্ধ থাকার পর কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দর পরিদর্শন করেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান। এসময় তিনি আমদানী-রপ্তানী সচল রেখে বন্দর কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি। তবে ব্যবসায়ীদের একটি অংশের দাবী আমদানী-রপ্তানী ধোঁয়াশার মধ্যেই রয়ে গেলো।

আজ সোমবার বেলা ১২টার দিকে বন্দরে পৌঁছান প্রতিমন্ত্রী। পরিদর্শন শেষে ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের সাথে মতবিনিময় করেন। এরপর দুপুর দেড়টার দিকে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে বন্দর ত্যাগ করেন।

টেকনাফ স্থল বন্দর সূত্র মতে, ২০২৪ সালের শেষ দিকে মিয়ানমারের দেশটির বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি রাখাইন দখলে নেওয়ার পর থেকে নাফ নদীতে আধিপত্য বিস্তার শুরু করে। ফলে বিভিন্ন সময় মিয়ানমার থেকে আসা পণ্যবাহী ট্রলারগুলো আটক রেখে চাঁদা দাবি করে। সর্বশেষ গেলো বছর ১৩ এপ্রিল কাঠবোঝাই ট্রলার বন্দরে পৌছানোর পর আমদানী বন্ধ হয়ে যায়।

পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গতকাল বন্দর কর্তৃপক্ষ, কাস্টমস, কোস্ট গার্ড, বিজিবি, এনবিআর কর্মকর্তারা ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয় যেখানে বন্দর পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত হয়।

তিনি আরো বলেন, ভবিষ্যৎ পরিস্থিতির আশঙ্কায় বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ রাখার কোনো সুযোগ নেই। সার্বিক বিষয় বিবেচনা করেই সরকারের পক্ষ থেকে মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেই আজ থেকে বন্দর সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বন্দরের কার্যক্রমে কোনোভাবেই রোহিঙ্গাদের সম্পৃক্ত করা যাবেনা। বন্দরে কর্মরতদের জন্য স্থানীয় প্রশাসন থেকে নাগরিকত্ব সনদ নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। দেশীয় শ্রমবাজার রক্ষায় শুধুমাত্র বাংলাদেশি নাগরিকরাই এখানে কাজ করবে। রোহিঙ্গা সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে ব্যাবসায়ীদের একটি অংশ জানান, বন্দর কখনো বন্ধ ছিলোনা। আরাকান আর্মির চাঁদাবাজির কারনে আমদানী রপ্তানী বন্ধ রয়েছে। প্রতিমন্ত্রী পরিদর্শন কালে আমদানী-রপ্তানীতে আরাকান আর্মির বাঁধা ও মিয়ানমার সরকারের পদক্ষেপের বিষয়ে কোনো স্পষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাই আদৌ বিষয়টি ধোঁয়াশতেই রয়েগেলো।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন- নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নুরুন্নাহার, টেকনাফ ২ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোহাম্মদ হানিফুর রহমান ভূঁইয়া, কোস্টগার্ড টেকনাফ স্টেশনের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আরাফাত হোসেন, টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমামুল হাফিজ নাদিম, কাস্টমস কর্মকর্তা মাহামুদুল রহমান, অপারেশন অফিসার কামাল হোসেন, ইউনাইটেড ল্যান্ড পোর্টের (টেকনাফ স্থলবন্দর) ব্যবস্থাপক জসীম উদ্দিন চৌধুরী, কক্সবাজার জেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক মো. আব্দুল্লাহ, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাহাদাত হোসেন ও আমদানি-রপ্তানিকারকসহ বন্দর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মচারী।

প্রসঙ্গত, ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ- মিয়ানমার সীমান্ত বাণিজ্য চালু হয়। পরবর্তীতে ২০০৩ সালের টেকনাফ স্থলবন্দর যাত্রা শুরু করে।

 

বার্তা বাজার/এমএমএইচ

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...
✕
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন