আওয়ামী লীগের ঘোষিত ‘শাটডাউন’ কর্মসূচিকে সামনে রেখে বরগুনার বামনা উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ চারটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারে তালা ঝুলিয়ে দেয় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের একাংশ।
শনিবার (১৫ নভেম্বর) গভীর রাতে হঠাৎ করেই এসব প্রতিষ্ঠানে তালা লাগানো হয়। রবিবার (১৬ নভেম্বর) সকালে পুলিশ তালা ভেঙে প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্বাভাবিক কার্যক্রম নিশ্চিত করে।
বামনা থানা পুলিশ জানায়, রাতের অন্ধকারে দুর্বৃত্তরা তালা লাগিয়ে উধাও হয়ে যায়। পরে সকালে কর্তৃপক্ষের অনুরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তালা খুলে দেয়।
তালা দেওয়া প্রতিষ্ঠানসমূহ বামনা সরকারি কলেজ, বুকাবুনিয়া ইউনিয়ন, পরিষদ কার্যালয়, বুকাবুনিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিস, বুকাবুনিয়া আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়।
ঘটনার পর নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বামনা উপজেলা সভাপতি হাসিবুর রহমান ও বরগুনা জেলা সভাপতি রেজাউল কবির রেজা নিজেদের ফেসবুক টাইমলাইনে পোস্ট দিয়ে দায় স্বীকার করেন। তারা জানান, আওয়ামী লীগের ‘শাটডাউন’ কর্মসূচিকে সফল করতে ছাত্রলীগ এসব প্রতিষ্ঠানে তালা দেয়।
বিদ্যালয়ে এসে তালা দেখে হতভম্ব শিক্ষক বুকাবুনিয়া আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অঞ্জন চ্যাটার্জী বলেন, “সকালে স্কুলে এসে দেখি প্রধান গেটে তালা ঝুলছে। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে জানাই। পরে পুলিশ এসে তালা খুলে পাঠদান শুরু করতে অনুমতি দেয়।”
বামনা সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জয়নাল আবেদিনের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
বামনা থানার ওসি হারুন অর রশিদ হাওলাদার বলেন, “আমরা ঘটনাস্থলগুলো পরিদর্শন করেছি। কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি, কারণ সিসিটিভি ক্যামেরা নেই। পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।” বর্তমানে চারটি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম স্বাভাবিক বলেও তিনি জানান।
বার্তা বাজার/এমএমএইচ






