
সিনিয়র করেসপনডেন্ট, নাটোর:
নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌর বিএনপির সভাপতি সানাউল্লাহ নুর বাবু হত্যাকাণ্ডের ১৫ বছর আজ। দীর্ঘদিনেও বহুল আলোচিত এই মামলার বিচার কাজ সম্পন্ন হয়নি। আওয়ামী লীগের নেতা, কর্মী ও সমর্থকদের প্রকাশ্যে অংশগ্রহণে হত্যাকাণ্ডটি সংগঠিত হয়।
পুলিশ জানায়, ২০১০ সালের ৮ অক্টোবর বিএনপির দলীয় কর্মসূচি পালনে বড়াইগ্রাম উপজেলা চেয়ারম্যান সানাউল্লাহ নূর বাবুর নেতৃত্বে একটি মিছিল সামনে এগোতে থাকে। মিছিলটি বনপাড়া বাজারে পৌঁছালে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি তাতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা গুলি ছুঁড়ে ত্রাস সৃষ্টি করলে মিছিলটি ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। সেই সুযোগে হাজারো মানুষের সামনে কুপিয়ে এবং পিটিয়ে হত্যা করা হয় পৌর বিএনপি সভাপতি বাবুকে।
বাবু হত্যার ভিডিওচিত্র ধারণ করতে গিয়ে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত হন পাঁচ সাংবাদিক। ঘটনাটির ভিডিও ফুটেজ থাকায় দেশ-বিদেশে বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।
পরদিন বাবুর সহধর্মিণী মহুয়া নূর বাদি হয়ে তৎকালীন জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক কে. এম জাকির হোসেনকে প্রধান আসামি করে আরও ২৭ জন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতা কর্মীর নাম উল্লেখসহ মোট ৪৫ জনকে আসামি করে বড়াইগ্রাম থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর কয়েক দফায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রদবদল করা হয়।
পরে, ২০২১ সালে দীর্ঘ ১১ বছর পর বাবু হত্যা মামলার আওয়ামী লীগ নেতা কে এম জাকির হোসেনসহ ৪৪ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট জমা দেয় সিআইডি। কিন্তু এখনো জাকির হত্যা মামলার বিচার কাজ সম্পন্ন হয়নি।
অপরদিকে, দ্রুতবিচার কাজ সম্পন্ন করে অপরাধীদের সাজা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন নিহত বাবুর স্বজনরা।
/এএইচএম






