উত্তরে প্রমত্ত পদ্মা, পশ্চিমে কীর্তিনাশা ও পূর্বে মেঘনা নদীবেষ্টিত জেলা শরীয়তপুর। ফরায়েজি আন্দোলনের প্রবাদ পুরুষ হাজী শরীয়তউল্লাহর নামানুসারে নাম করা এই জেলায় মোট সংসদীয় আসন রয়েছে ৩টি। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনটি আসনেই এখন নির্বাচনের গরম হাওয়া বইছে। জেলার তিনটি আসনেই জামায়াতে ইসলামীর একক প্রার্থী থাকলেও প্রতিটি আসনেই বিএনপির একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশী ।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সরদার একেএম নাসির উদ্দিন বলেন, শরীয়তপুরে সব সময়ই বিএনপির অবস্থা ভালো ছিল। এখনো ভালো আছে। শরীয়তপুরের ৩টি আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা জয়লাভ করবে।
এদিকে বসে নেই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ইতোমধ্যে শরীয়তপুর ৩টি আসনেই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করেছে। সে অনুযায়ী গণসংযোগ ও সভা-সমাবেশ চালিয়ে যাচ্ছেন দলীয় প্রর্থীরা। দলের মধ্যে নেই কোনো অভ্যন্তরীণ কোন্দল।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শরীয়তপুর জেলার নায়েবে আমির ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য কে এম মকবুল হোসাইন বলেন, ‘মানুষ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে পছন্দ করে। আমরা তিনটি আসনেই জয়লাভের বিষয়ে আশাবাদী। এখন আমরা নির্বিঘেœ ও স্বস্তিতে দলীয় কর্মসূচি পালন করতে পারছি। আমরা সব প্রার্থী ঘোষণা করেছি।’
এছাড়াও গণঅধিকার পরিষদ, এনসিপি, জাতীয় পার্টি (বিজেপি), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সম্ভাব্য প্রার্থীরাও লিফলেট বিতরণসহ নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছেন। তবে নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) থেকে শরীয়তপুরের ৩টি আসনেই প্রার্থী দেওয়া হবে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত শরীয়তপুরে দেখা নেই দলটির নেতা-কর্মীদের। সরকার পতনের পর দলটির বিভিন্ন স্তরের নেতারা মামলার আসামি হয়ে এলাকা ছেড়েছেন। কর্মী-সমর্থকেরা থাকলেও তারা কোনো রাজনৈতিক কর্মকা-ে নেই। শরীয়তপুরে ৬টি উপজেলা, ৬টি পৌরসভা, ৭টি থানা, তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনী এলাকায় প্রায় ১৭ লাখ মানুষের বসবাস।
শরীয়তপুর-১ (সদর-জাজিরা) ॥ শরীয়তপুর সদর ও জাজিরা উপজেলা নিয়ে শরীয়তপুর-১ আসন গঠিত। স্বাধীনতার পর থেকে এ আসনে ৫ বার আওয়ামী লীগ, ১ বার বিএনপি, ২ বার জাতীয় পার্টি ও ১ বার স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালের (৬ষ্ঠ জাতীয় সংসদ) নির্বাচনে এ আসনে ভোটগ্রহণ স্থগিত ছিল।
বর্তমানে শরীয়তপুর-১ আসনে বিএনপি থেকে তৎপরতা চালাচ্ছেন সাবেক সংসদ সদস্য সরদার একেএম নাসির উদ্দিন, জেলা বিএনপির সাবেক অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মজিবুর রহমান, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুব আলম তালুকদার ও কৃষক দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিন্টু সওদাগর। তবে এ আসনে জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ আহমেদ আসলামকে মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে বলে দলীয় একটি সূত্র থেকে জানা গেছে।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সরদার নাসির উদ্দিন বলেন, ‘দলীয় মনোনয়ন পেলে আমি নির্বাচন করব।’ জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুব আলম তালুকদার বলেন, ‘ছোটকাল থেকেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত আছি। দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় তাহলে আমি নির্বাচন করার জন্য প্রস্তুত আছি।’
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এ আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে ড. মোশাররফ হোসেন মাসুদকে। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি। তিনি ইতোমধ্যে নির্বাচনে জয়লাভের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন এবং নির্বাচনী মাঠে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। নির্বাচন প্রসঙ্গে ড. মোশাররফ হোসেন মাসুদ বলেন, ‘আমরা দেশের উন্নয়নে বদ্ধপরিকর। দেশকে নিয়ে ভাবি, দেশের মানুষকে নিয়ে ভাবি আর উন্নয়নের চেষ্টা করি।’
এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ, গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফিরোজ আহমেদ মুন্সী, এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সংগঠক ও ফরিদপুর অঞ্চলের টিম প্রধান আব্দুর রহমান, এনসিপি থেকে অ্যাডভোকেট রুহুল আমীন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী মহাসচিব শাইখুল হাদীস মাওলানা জিয়াউল হক কাসেমীসহ বেশ কিছু নেতা ব্যানার ও ফেস্টুন সাঁটিয়ে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য জানান দিচ্ছেন।
স্থানীয় ভোটাররা জানান,
শরীয়তপুর-১ আসনে বিএনপি দলীয় সম্ভাব্য প্রার্থী সরদার একেএম নাসির উদ্দিন কালুর রয়েছে এক বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক পরিচিতি। ১৯৭৯ সালে বিএনপিতে যোগদান করে দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুর-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৮৬ সালে এরশাদের জাতীয় পার্টিতে যোগদান করে তৃতীয় ও ১৯৮৮ সালে ৪র্থ সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুর-১ আসন থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন। এরশাদ সরকারের পতন হলে কালু সরদার পুনরায় বিএনপিতে যোগদান করেন এবং ৯১ ও ২০১৮ সালে বিএনপির টিকিটে এই আসন থেকে নির্বাচন করে পরাজিত হন। বর্তমানে তিনি পঞ্চম মেয়াদে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।
শরীয়তপুর-২ (নড়িয়া-সখিপুর) ॥ নড়িয়া ও সখিপুর থানা নিয়ে শরীয়তপুর-২ আসন গঠিত। স্বাধীনতার পর ১১টি নির্বাচনে ৮ বারই এ আসনটি ছিল আওয়ামী লীগের দখলে। বর্তমানে এ আসনে বিএনপির পক্ষ থেকে তৎপর আছেন জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান কিরণ ও কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি কর্নেল (অব.) এস এম ফয়সাল।
শরীয়তপুর জেলা বিএনপির সভাপতি শফিকুর রহমান কিরণ বলেন, ‘আমি দলটি গঠনতন্ত্র অনুযায়ী চালাতে পারছি না। আমাকে নীতিনির্ধারণী মহলের আদেশ ফলো করতে হয়। আর বড় রাজনৈতিক দল হিসেবে নেতৃত্বের নানা ধরনের প্রতিযোগিতা থাকে। তারপরও বলব, দীর্ঘ ১৭ বছরের মামলা-হামলা, দমন-নিপীড়ন মোকাবিলা করে সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত রাখতে পেরেছি।’
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হোসেন বকাউল একক প্রার্থী। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের শূরা সদস্য ও জেলার সাধারণ সম্পাদক মো. দবির হোসেন শেখ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি- বিজেপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য একে জসিম উদ্দিন নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থী হওয়ার জন্য তৎপর রয়েছেন।
জামায়াত ইসলামী প্রার্থী অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হোসেন বকাউল বলেন, ‘আমরা জনগণের জন্য রাজনীতি করি। দেশের কল্যাণে ও মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই। শরীয়তপুরকে একটি মডেল জেলা হিসেবে উপহার দেওয়ার লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’
বিএনপি থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী শফিকুর রহমান কিরণ বর্তমান শরীয়তপুর জেলা কমিটির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য। তিনি একজন সফল মানবসম্পদ রপ্তানিকারক। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে কিরণ শরীয়তপুর-৩ আসন থেকে নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৯৬-এর ১২ জুনের নির্বাচনে এবং ২০০১ সালের নির্বাচনে একই আসন থেকে আওয়ামী লীগের জাতীয় নেতা আব্দুর রাজ্জাকের সঙ্গে নির্বাচন করে সামান্য ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন।
শফিকুর রহমান কিরণ বলেন, ১৯ বছর জেলা বিএনপির সহসভাপতি ছিলাম। একবার জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক, একবার সদস্য সচিব ও একবার সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দলের দায়িত্ব পালন করেছি। ২০১৩ সাল থেকে টানা দ্বিতীয় মেয়াদে জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছি। আসন্ন নির্বাচনে দল আমাকে মনোনয়ন দেবে এটা আমার বিশ্বাস।’
এই আসনে বিএনপি দলীয় অপর সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ ও সভা-সমাবেশ করছেন কর্নেল (অব.) এস এম ফয়সাল। বর্তমানে তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কর্নেল ফয়সাল শরীয়তপুরের চরাঞ্চলের একটি ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সন্তান। তার বড় ভাই সৈয়দ আমির খসরু বিএনপির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী হিসেবে কাজ শুরু করেন। নির্মোহ ও ত্যাগী নেতা আমির খসরুর ছোট ভাই এবং প্রকৃত বিএনপি ভাবধারার লোক হিসেবে কর্নেল ফয়সাল আসন্ন নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পাবেন বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।
এ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দলীয় প্রার্থী বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হোসেন বকাউল। স্থানীয় লোকজন ও সাধারণ ভোটাররা জানান, সততা, নিষ্ঠা, কর্মদক্ষতা ও শিক্ষাগত যোগ্যতায় অনন্য ডা. মাহমুদ হোসেন বকাউল এ আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হলে পাল্টে যাবে এলাকার দৃশ্যপট।
শরীয়তপুর-৩ (ডামুড্যা, গোসাইরহাট, ভেদরগঞ্জ) ॥ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছে শরীয়তপুর-৩ নির্বাচনী এলাকার রাজনৈতিক দলীয় নেতাকর্মীরা। এই আসন থেকে মনোনয়ন পেতে চান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের এপিএস মিয়া নুরুদ্দিন অপু ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ আহমেদ আসলাম। এই নেতাদের পক্ষে মনোনয়ন চেয়ে তার সমর্থকরা মাঠ পর্যায়ে পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন টাঙিয়েছেন। তবে মিয়া নুরুদ্দিন অপুই এ আসনে প্রার্থী হবেন বলে দলীয় একটি সূত্র নিশ্চিত করেছেন।
বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর পক্ষ থেকে এ আসনে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হয়েছেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ ও কার্যনির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য ও জেলার সহসভাপতি মুফতি খবিরউদ্দিন। এছাড়া এখানে অন্য কোনো দলের তেমন তৎপরতা নেই।
এই আসনে বিএনপির সম্ভাব্য মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে সাবেক ছাত্রদল নেতা মিয়া নূর উদ্দিন অপু গোসাইরহাট উপজেলার কোদালপুরের সন্তান। নূর উদ্দিন অপু বয়সে তরুণ হলেও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে এবং জিয়া পরিবারের অত্যন্ত বিশ্বস্ত এবং নির্ভরযোগ্য লোক।
গোসাইরহাট উপজেলা বিএনপির সভাপতি তারিক আজিজ মোবারক বলেন, হয়রানিমূলক রাজনৈতিক মামলায় মিয়া নূর উদ্দিন অপু দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন। গত নির্বাচনের কয়েকদিন আগে নির্বাচনী গণসংযোগের সময় তাকে হামলা করে মারাত্মকভাবে আহত করা হলে তখন তাকে হেলিকপ্টারযোগে চিকিৎসার জন্য ঢাকা পাঠানো হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি এই সংগঠন এবং জিয়া পরিবারের জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়েছেন বারবার। তার থেকে নির্ভরযোগ্য, জনপ্রিয় এবং বিশ্বস্ত লোক এ আসনে বিএনপিতে কেউ নেই। আসন্ন নির্বাচনে নূর উদ্দিন অপুকেই প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হবে বলে আমাদের বিশ্বাস’
বিএনপির অপর মনোনয়নপ্রত্যাশী সাঈদ আহমেদ আসলাম ডামুড্যা উপজেলার কনেশ্বর ইউনিয়নের সন্তান। তিনি জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক। তার ঘনিষ্ঠজনেরা মনে করেন, সাঈদ আহমেদ আসলামকে এই আসনে মনোনয়ন দেওয়া হলে বিএনপি সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী হবে।
এদিকে শরীয়তপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির কেএম মকবুল হোসাইন বলেন, ‘মানুষ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কর্মকা-কে ভালোবাসে। কোনো স্থানে দখলবাজ ও চাঁদাবাজিসহ যে কোনো অন্যায় কাজকর্ম থেকে জামায়াতের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা দূরে থাকে। তাই সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন হলে শরীয়তপুর-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী বিপুল ভোটে জয়লাভ করবে ইনশা-আল্লাহ।’






