নিজের পরিশ্রম সম্পর্কে তিনি বলেন, আমি শুরু থেকেই কাজ করে আসছি। এখনও সেভাবেই করব। আমাকে যদি কাজে লাগানোর জন্য নতুন কোনো পথ দেখানো হয়, আমি আরও বেটার পারফরম্যান্স করতে পারব।
নায়লা বলেন, আমি একজন বুয়েটিয়ান, সেটাই আমার বড় পরিচয়। বুয়েটিয়ানের জন্য বিসিএস কেন, বুয়েটিয়ান চাইলে বিশ্ব জয় করতে পারে। আমার ক্লাসমেট যারা ছিল, তারা কেউ আমেরিকায় আছে, অস্ট্রেলিয়ায় আছে, কেউ কানাডায় আছে। তারা বিসিএসের চেয়ে অনেক বড় জব করছে। বিসিএস এখানে ফ্যাক্ট হতে যাবে কেন?
নায়লা শারাফ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিজের ব্যক্তিগত কোনো চাওয়া ছিল না। নিজের জন্য কিছু চাইনি, চেয়েছি প্রাইমারি শিক্ষা এবং শিক্ষকদের যেন প্রকৃতমান উন্নয়ন হয়। আমি বলেছি আমার মতো যারা আছেন, সমগ্র পাথমিক শিক্ষা পরিবারকে আমরা ঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে পারব, সম্মান প্রদর্শন করতে পারব।
সহকারী এই শিক্ষক বলেন, আমি নিজে যেহেতু প্রাইমারি টিচার, আমার সহকর্মী যারা আছেন, সকল ভাইবোনের যাতে সম্মানটা বৃদ্ধি হয়, সেটার জন্য স্যার (প্রধানমন্ত্রী) যেন বিবেচনা করেন।
এদিকে ব্যক্তিগত কোনো সুযোগ-সুবিধার ঊর্ধ্বে উঠে প্রাথমিক শিক্ষা খাত ও সহকর্মীদের পক্ষে নায়লার এমন সাহসী ও নিঃস্বার্থ অবস্থান সচেতন মহলে প্রশংসিত হচ্ছে। অনেকেই মনে করছেন, তার মতো তরুণদের আহ্বান গুরুত্ব পেলে প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তনের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।






