আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আজ সোমবার (১৭ নভেম্বর) ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দণ্ডাদেশ দিলে ইন্টারপোলের কাছে কনভিকশন ওয়ারেন্ট পাঠাবে প্রসিকিউশন।
রবিবার (১৬ নভেম্বর) ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের ব্রিফ করে বিষয়টি নিশ্চিত করেন প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম।
তিনি বলেন, গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে আগেই রেড নোটিশ চাওয়া হয়েছিল। ইন্টারপোল কোনো সাড়া না দিলেও রায় ঘোষণা ও সাজা হওয়ার পর নতুন করে দণ্ডাদেশ পরোয়ানা পাঠানো হবে।
জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আজ সোমবার রায় দেবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। আসামির তালিকায় রয়েছেন শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এবং পুলিশের সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন।
শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকার নিয়ে প্রশ্ন উঠলে প্রসিকিউটর বলেন, আদালতে হাজির না হয়ে দেওয়া কোনো বক্তব্য আইনি গুরুত্ব বহন করে না। তিনি বলেন, আদালতে উন্মুক্তভাবে কণ্ঠস্বরের রেকর্ড শোনানো হয়েছে, যেখানে উঠে এসেছে হাসিনার সরাসরি হত্যার নির্দেশ দেওয়ার বিষয়টি। তিনি দোষী কি না এটার রায় দেবে আদালত।
হাসিনাকে ভারতে বসে সাক্ষাৎকারের সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে তিনি জানান, এটি রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক বিষয়। তাই প্রসিকিউশন তা আমলে নিচ্ছে না। প্রসিকিউশন এ মামলায় শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামানের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রার্থনা করেছে। সঙ্গে তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ভুক্তভোগীদের মাঝে বণ্টনের আবেদন করা হয়েছে। প্রসিকিউটর তামীম বলেন, ট্রাইব্যুনাল যে আদেশ দেবে প্রসিকিউশন তা মেনে নেবে।
তিনি আরও জানান, আইন সংশোধনের পর রোম স্ট্যাটিউটের আন্তর্জাতিক অপরাধ সংক্রান্ত বিধান এখন ট্রাইব্যুনালে প্রযোজ্য। ফলে একই অভিযোগে অন্য কোনো আদালতের মামলা থাকলে তা চলবে না। পলাতক শেখ হাসিনার আপিলের সুযোগ দেয়া হবে কি না এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি স্পষ্ট বলেন, গ্রেপ্তার না হলে কোনো পলাতক আসামিই আপিল করতে পারবেন না।
বার্তা বাজার/এমএমএইচ






