ঢাকা   শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রেডিও বার্তা
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান
রেডিও বার্তানিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: উপজেলা প্রতিনিধি

হরমুজ প্রণালীতে অদৃশ্য মাইন ধ্বংসে মোতায়েন হচ্ছে ড্রোনবাহী ব্রিটিশ ‘মাদার শিপ’

Authorরেডিও বার্তা ডেস্ক

প্রকাশ: ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩৩ পিএম

হরমুজ প্রণালীতে অদৃশ্য মাইন ধ্বংসে মোতায়েন হচ্ছে ড্রোনবাহী ব্রিটিশ ‘মাদার শিপ’

মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালীতে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং মাইন হামলার হুমকি মোকাবিলায় বড় পদক্ষেপ নিয়েছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ রাজকীয় নৌবাহিনীর জাহাজ আরএফএ লাইম বে-কে অত্যাধুনিক মাইন-সুইপিং ড্রোনের ‘মাদার শিপ’ হিসেবে ওমানের দুকম বন্দরে মোতায়েন করা হচ্ছে।

প্রতিরক্ষা সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে, জাহাজটি বর্তমানে জিব্রাল্টারে থাকলেও দ্রুততম সময়ের মধ্যে এটি ওমানের দিকে যাত্রা শুরু করবে। জিব্রাল্টার থেকে দুকম বন্দরে পৌঁছাতে জাহাজটির সময় লাগবে প্রায় ১০ দিন।

গতানুগতিক মাইন-হান্টিং জাহাজের পরিবর্তে লাইম বে-তে ব্যবহার করা হয়েছে বিশেষ ‘প্লাগ-এন্ড-প্লে’ সিস্টেম। এতে কোনো ডুবুরি বা প্রথাগত ক্রু ছাড়াই শুধুমাত্র রিমোট-কন্ট্রোলড ড্রোনের মাধ্যমে সমুদ্রতলের মাইন শনাক্ত ও ধ্বংস করা যাবে। জাহাজ থেকে ১৩ মিটার লম্বা চালকহীন নৌযান সাগরে ছাড়া হবে, যা শক্তিশালী সোনার ব্যবহার করে সমুদ্রতলের উচ্চ-রেজোলিউশন ম্যাপ তৈরি করবে।

সি-ক্যাট বা রেমাস নামক খুদে ডুবোজাহাজগুলো সন্দেহভাজন বস্তু শনাক্ত করবে।যদি কোনো মাইন নিশ্চিত হওয়া যায়, তবে ‘ডিফেন্ডার’ নামক একটি রোবট সেই মাইনের গায়ে বিস্ফোরক লাগিয়ে দূর থেকে তা ধ্বংস করে দেবে।

মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, হরমুজ প্রণালীতে ইরান অন্তত ডজনখানেক মাইন পেতে রেখেছে, যার মধ্যে ‘মাহাম-৩’ ও ‘মাহাম-৭’ উল্লেখযোগ্য। এছাড়া ইরানের ‘ঘাদির-ক্লাস’ সাবমেরিনগুলোর আক্রমণ প্রতিহত করাও ব্রিটিশ বাহিনীর জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র জানিয়েছেন, ব্রিটেনের এই স্বয়ংক্রিয় মাইন-হান্টিং সক্ষমতা ওই অঞ্চলে সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। তবে লাইম বে জাহাজটি আক্রমণাত্মক রণতরী না হওয়ায় একে রক্ষার জন্য আশপাশে অন্য যুদ্ধজাহাজের পাহারার প্রয়োজন হবে।

হরমুজ প্রণালী থেকে প্রায় ৬০০ কিলোমিটার দূরে ওমানের দুকম বন্দরে অবস্থান নিলে ব্রিটিশ জাহাজটি সরাসরি সংঘাত এড়িয়ে নিরাপদ দূরত্ব থেকে অপারেশন পরিচালনা করতে পারবে। প্রণালীতে উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হলে বা জাহাজ চলাচলের জন্য নিরাপদ মনে করলেই কেবল এটি মূল অভিযান শুরু করবে।

এই পদক্ষেপটি নৌ-যুদ্ধের ইতিহাসে একটি বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে মানুষের পরিবর্তে স্বয়ংক্রিয় রোবট ও ড্রোনই সমুদ্রের প্রতিরক্ষা নিশ্চিতে প্রধান হাতিয়ার হয়ে উঠছে।

সূত্রঃ দ্য ন্যাশনাল

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...
✕
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন