ঢাকা   সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রেডিও বার্তা
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

মাধুরীর প্রেম, বিয়ে আর লস অ্যাঞ্জেলসের ঘর-সংসার

Authorস্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশ: ১৫ মে ২০২৫, ০২:৫৬ পিএম

মাধুরীর প্রেম, বিয়ে আর লস অ্যাঞ্জেলসের ঘর-সংসার

আজ বলিউডের কিংবদন্তি তারকা মাধুরী দীক্ষিতের জন্মদিন। সময় যতই গড়াক না কেন, বয়স যেন তাঁকে থামাতে পারেনি। নিজের অসাধারণ প্রতিভা ও ব্যক্তিত্বে তিনি বয়সকে শুধু একটি সংখ্যা বানিয়ে রেখেছেন। এই বিশেষ দিনে চলুন জেনে নেওয়া যাক তাঁর ও জীবনসঙ্গী ড. শ্রীরাম নেনের প্রেম ও পারিবারিক জীবনের হৃদয়গ্রাহী কিছু অধ্যায়।

প্রথম সাক্ষাৎ: পরিচিতির বাইরে এক পরিচয়

একবার এক সাক্ষাৎকারে মাধুরী জানান, প্রথমবার ড. নেনের সঙ্গে দেখা হয়েছিল এমন একজনের সঙ্গে, যিনি তাঁর খ্যাতি সম্পর্কে কিছুই জানতেন না। কোনো ভনিতা ছাড়াই শ্রীরাম তাঁকে বলেছিলেন, ‘চলো বাইকে চড়ে পাহাড়ে ঘুরে আসি।’ আশ্চর্যের বিষয়, গত দুই দশকে কখনো বাইকে না ওঠা মাধুরী হেসে সম্মতি দিয়েছিলেন।

বিয়ের দিনে স্বামীর বিস্ময়

বিয়ের দিন মুম্বাইয়ে জমকালো আয়োজন দেখে হতবাক হয়ে গিয়েছিলেন শ্রীরাম। তিনি অবাক হয়ে মাধুরীকে প্রশ্ন করেছিলেন, ‘এই এত মানুষ কেন এসেছে?’ উত্তরে মাধুরী হেসে বলেছিলেন, ‘এ তো নিরাপত্তার কারণে সীমিত আয়োজন। না হলে অবস্থা আরও ভয়াবহ হতো।’ ড. নেনের কাছে দিনটি ছিল যেন এক রূপকথার স্বপ্ন।

বড় পর্দা ছেড়ে ঘরকন্নার রাজ্য

বিয়ের পর বলিউড থেকে দীর্ঘ বিরতিতে যুক্তরাষ্ট্রে সংসার জীবন শুরু করেন মাধুরী। লস অ্যাঞ্জেলসে তিনি পুরো মনোযোগ দেন পরিবারে। ভোরে স্বামীকে অফিসে পাঠানোর জন্য নাশতা তৈরি করতেন নিজ হাতে। এই অধ্যায়টিকে মাধুরী বর্ণনা করেন “পূর্ণ হৃদয়ে অনুভব করা সময়” হিসেবে।

সিনেমা দেখা মানেই নার্ভাসনেস!

মজার বিষয়, বিয়ের আগে ড. নেনে মাধুরীর কোনো সিনেমাই দেখেননি। এমনকি তিনি ভেবেছিলেন অভিনেত্রীদের সব সময় ব্যাগ হাতে থাকতে হয়! বিয়ের পর মাধুরী যখন তাঁকে নিজের সিনেমা দেখাতে চেয়েছেন, তখন নেনে নার্ভাস হয়ে পড়তেন। সিনেমা চলাকালীন বলতেন, “চলো অন্য কিছু করি”, কিংবা “চলো বাইরে কোথাও ঘুরতে যাই।”

দুজন, দুটি দিক, এক ভালোবাসা

মাধুরী বলেন, তাঁদের দুজনের জীবনধারা একেবারেই ভিন্ন। একজন বড় হয়েছেন মুম্বাইয়ের আলোঝলমলে পরিবেশে, আরেকজন যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানভিত্তিক সমাজে। কিন্তু ঠিক এই পার্থক্যই তাঁদের কাছে হয়ে উঠেছিল আকর্ষণের উৎস। ‘একটা ভারসাম্য তৈরি হয়েছিল অমিলের মাঝেও,’ বলেন মাধুরী।

দাম্পত্য জীবনের টেকসই রহস্য

দীর্ঘ সুখী বিবাহিত জীবনের মূলমন্ত্র জানাতে গিয়ে মাধুরী বলেন, “আমরা কখনো একে অপরকে বদলাতে যাইনি। বরং যেভাবে আছি, সেভাবেই একজন আরেকজনকে গ্রহণ করেছি।” এটি তাঁর মতে সুখের সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি।

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...
✕
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন