বোরো ধান থেকে তৈরি নতুন চাল বাজারে আসার পর সরু বা মিনিকেট চালের দাম কমে গেছে। গত দুই সপ্তাহে মিনিকেট চালের দাম কেজিতে ১০ থেকে ১২ টাকা কমে ৭৫ থেকে ৭৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আগের দিকে এই চালের দাম ছিল ৮৮ থেকে ৯০ টাকা প্রতি কেজি। তবে কিছু বাজারে পুরানো চালের দাম এখনও নতুন চালের তুলনায় বেশি, কারণ তা আগে থেকেই মজুত ছিল।
মিনিকেট চালের মধ্যে মোজাম্মেল ব্র্যান্ডের দামও কমেছে, কেজিতে ১০ টাকা দাম কমে বর্তমানে ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে নাজিরশাইল, ব্রি-২৮, ব্রি-২৯ এবং স্বর্ণা ব্র্যান্ডের চালের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
এদিকে, ব্রয়লার এবং সোনালি মুরগির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে, যা দুই সপ্তাহ আগে ছিল ২০ থেকে ৩০ টাকা কম। সোনালি মুরগির দামও বৃদ্ধি পেয়েছে, বর্তমানে এটি ২৬০ থেকে ৩১০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
ফার্মের মুরগির ডিমের দামও কিছুটা বেড়েছে। বর্তমানে ডজনে ৫ টাকা বেড়ে দাম ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকা হয়েছে।
পেঁয়াজের দাম আপাতত অপরিবর্তিত রয়েছে, প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাড়ার বাজারে এ দাম একটু বেশি হতে পারে। মাসখানেক আগে পেঁয়াজের দাম ছিল ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি।
সবজি বাজারে কিছু সবজির দাম বেশ চড়া রয়েছে। করলা, বরবটি, ঝিঙে, চিচিঙ্গা, পটল, ঢ্যাঁড়স, পেঁপে এবং অন্যান্য সবজি ৬০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। কিছু কিছু সবজি যেমন আলু, কাঁচকলা এবং মিষ্টিকুমড়া ৫০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে, কিন্তু অধিকাংশ সবজির দাম ৫০ টাকার উপরে।
মাছ ও মাংসের দাম বেশিরভাগ বাজারে আগের মতোই রয়েছে। গরুর মাংস কেজিতে ৬৫০ থেকে ৭৫০ টাকা, খাসির মাংস এক থেকে দেড় হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাছের মধ্যে চাষের কই ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ থেকে ২৫০ টাকা, পাঙাশ ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, রুই ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, এবং পাবদা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।






