ঢাকা   রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রেডিও বার্তা
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

ফয়সাল ও আলমগীরের জন্য ‘কনস্যুলার অ্যাক্সেস’ চেয়েছে কলকাতার উপ-হাইকমিশন

Authorনিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৯ মার্চ ২০২৬, ০১:২০ এএম

ফয়সাল ও আলমগীরের জন্য ‘কনস্যুলার অ্যাক্সেস’ চেয়েছে কলকাতার উপ-হাইকমিশন

ভারতে গ্রেফতার হওয়া বাংলাদেশি নাগরিক ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) ও আলমগীর হোসেনকে (৩৪) কনস্যুলার অ্যাক্সেস দিতে দেশটির সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন। রবিবার (৮ মার্চ) উপ-হাইকমিশন থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফয়সাল ও আলমগীর নামে দুই বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতারের কথা আজ উপ-কমিশনকে জানিয়েছে কলকাতা পুলিশ। ভারতীয় গণমাধ্যম ওই দুই বাংলাদেশিকে শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

এ সংবাদের পরপরই উপ-হাইকমিশন ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ করে এবং ভারত সরকারকে কনস্যুলার অ্যাক্সেস দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানায়।

কোনও বিদেশী রাষ্ট্রে আটক বা গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নিজ দেশের কনস্যুলার বা দূতাবাস কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ ও সাক্ষাতের আইনি অধিকারই হলো কনস্যুলার অ্যাক্সেস।

এর আগে গত ৭ মার্চ দিবাগত রাতে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁও সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভারতীয় পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্স (এসটিএফ) ফয়সাল ও আলমগীরকে আটক করে। ভারতীয় গণমাধ্যম ও এসটিএফের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ ও অবস্থানের অভিযোগে তাদের গ্রেফতার করা হয়। আর রবিবার তাদের স্থানীয় আদালতে হাজির করা হয়।

উল্লেখ্য, শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের লক্ষ্যে গণসংযোগ চালাচ্ছিলেন। গত বছরের ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজের পর রাজধানীর পুরানা পল্টনের কালভার্ট রোডে রিকশায় থাকা অবস্থায় দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে সিঙ্গাপুরে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হলে ১৮ ডিসেম্বর সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। 

এ আলোচিত হত্যাকাণ্ডের তদন্তে নেমে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) গত ৬ জানুয়ারি ১৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে। তদন্তকারীদের ভাষ্যমতে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে এই পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়েছিল। নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ফয়সাল করিম মাসুদ সরাসরি গুলি চালিয়েছিলেন এবং তার সহযোগী আলমগীর হোসেন তাকে সহায়তা করেছিলেন।  

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এ পুরো হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা ও নির্দেশনা দিয়েছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের তৎকালীন সাংগঠনিক সম্পাদক ও মিরপুর এলাকার সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী (বাপ্পী)। ঘটনার পর থেকেই ফয়সাল ও আলমগীরসহ মূল আসামিরা ভারতে পালিয়ে ছিলেন। এখন তাদের গ্রেফতারের ফলে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...
✕
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন